এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)
জ্ঞানীদের স্বাগতম
বেশি চর্বি জমা হওয়ার কারণে পেটের এবং পায়ের মাংসপেশির সংকোচন ও সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে হার্নিয়া হতে পারে এবং পায়ের শিরায় ভেরোকোসিটি দেখা দেয়।সাধারণ লোকদের তুলনায়, বিশেষত চল্লিশোর্ধ নারীদের পিত্তথলির পাথর বেশি মাত্রায় হয়ে থাকে।
লিভারের কোষে চর্বি জমা হওয়ার কারণে ফ্যাটি চেঞ্জ হয়। ফলে লিভারের বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি সিরোসিস-জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।খাদ্যনালি, কোলন, লিভারের ক্যানসার এবং লিস্ফনোডের ক্যানসার থেকে মৃত্যুঝুঁকি স্থূল লোকদের বেশি।
নাক ডাকা, স্লিপঅ্যাপনিয়া জাতীয় রোগ বেশি হয়। শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুবিধা, দিন ও রাত উভয় সময়েই বেশি ঘুম, ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা, মুখ হা করে শ্বাস-প্রশ্বাস ও পলিসাইথিমিয়া হতে পারে।
গর্ভেশয়ে চর্বি জমে গেলে মা হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়।
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শরীরকে ফিট রাখা চাই। সেই সব দেহে বেশি রোগ বাধে যেসব দেহ অতিরিক্ত মোটা। মোটা মানুষ কাপড়চোপড় পরে শান্তি পায়না। কোথাও ঘুরে শান্তি পায়না। কোন কিছু খেয়ে শান্তি পায়না।কোন কিছুতেই তাদের শান্তি লাগেনা। এখানে আমি আলোচনা করবো কিভাবে সহজে চর্বি কমানো যায়।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ২৫০০-২৭০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয় এবং একজন নারীর ২০০০-২২০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। কিশোর -কিশোরদের ৩০০০-৩২০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন। আমরা যদি এই তালিকাটা মেনে চলতে পারি তাহলে আমরা সুস্থ জীবন উপভোগ করতে পারব। নিম্নে একটা তালিকা দেয়া হলো।
১) একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ২৫০০-২৭০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয় এবং একজন নারীর ২০০০-২২০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। কিশোর -কিশোরদের ৩০০০-৩২০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন। এরচেয়ে বেশি ক্যালরি নেয়া যাবেনা।
২) সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন ,সামুদ্রিক মাছ ,শাক-সবজি ,ডিম ,দুধ,ফল,মাছ-মাংস ইত্যাদি।
৩) পরিমান মতো পানি পান করতে হবে। দিনে প্রায় ২.৫ লিটার থেকে ৪ লিটার পানি পান করতে হবে। কম বেশি করা যাবেনা।
৪) দিনে ৩ বারের বেশি খাওয়া যাবেনা। ছোট খাটো যে নাশতা আমরা খাই ওগুলো বাদ দিতে হবে। ভাজাপোড়া খাওয়া চলবেনা।
৫) ব্যায়াম করতে হবে। ব্যায়াম করার সুযোগ না থাকলে কম পক্ষে ২০ মিনিট হাঁটার চেয়ে একটু দ্রুত রান করতে হবে।
৬) সব সময় ভরা পেটে থাকা যাবেনা।
৭) পেট ভরে খাওয়া যাবেনা।
৮) পরিমান মতো ঘুমাতে হবে।
৯) সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে গরম পানি পান করতে হবে।
যদি আপনি এই রুটিন মোতাবেক ৬ মাস চলতে পারেন দেখবেন আপনার দৈহিক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে
Copyright (c) 2022, Mr Gobeshok-All Rights Reserved
কোন মন্তব্য নেই