খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নত - মিঃগবেষক

খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নত

আমরা অনেকেই জানি  খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নত। হ্যা কথাটি সত্য। 

এখন আমি আলোচনা করবো খেজুরের পর কি আরো খাবার খাওয়া যাবে ?

আমরা যতটুকু জেনেছি তা হলো,ইফতার করো অত্যন্ত পক্ষে একটা খেজুর দিয়ে হলেও। অর্থাৎ ইফতার করার জন্য আল্লাহর রসূল ( সা) আমাদের উৎসাহিত করেছেন। 

আমরা কি করি ,খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করি। তারপর শুরু হয় নাদানের মতো করে খাবার গ্রহণ। এতো পরিমান খাবার গ্রহণ করি যে ,আমাদের  নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। কিন্তু কম খাবার খাওয়াও তো সুন্নত। নবীজি কখনো অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করেন নি। তিনি তাঁর পেট কে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। এক ভাগ খাবার খেয়েছেন ,এক ভাগ পানি পান করেছেন আরেক ভাগ খালি রেখেছেন। আর আমরা কি করি খেজুর দিয়ে শুরু করি শেষ কি দিয়ে করি তা আমার জানা নেই। তবে এটুকু জানি তাহলো যতক্ষণ না পর্যন্ত খাবার গলা দিয়ে বেরিয়ে না আসে ততক্ষন পর্যন্ত খেতেই থাকি। 

ইফতারের সময় বেশি  পরিমান খাবার খাওয়া উচিত নয়। কেননা আমাদের শরীর এক সাথে এতো পরিমান খাবার পরিপাক করতে সক্ষম নয়। তাই আমরা ইফতারের সময় কম খাবার খাওয়ার  চেষ্টা করবো। 

খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নাত। তবে খেজুর না পেলে পানি খেয়ে ইফতার করার কথা বলা হয়েছে। 

আরেকটি বিষয় তাহলো ,সেহরি খেতে হবে একটু দেরি করে এবং ইফতার করতে হবে খুব তাড়াতাড়ি এটাও একটা সুন্নত। 

তবে সময় শেষ হওয়ার আগেই সেহরি খেতে হবে এবং সময় হলেই ইফতার খেতে হবে। 

এতক্ষন আমরা যা বুঝাতে  চেয়েছি তাহলো ইফতার করতে হবে অন্তত একটা খেজুর খেয়ে হলেও। আর নবীজি ( সা) উৎসাহ দিয়েছেন যেন আমরা খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করি। 

তবে আমরা ইফতারের সময় অল্প পরিমান খাবার গ্রহণ করার চেষ্টা করবো। 

আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি খেয়াল রাখবো। এবং দরিদ্রদের মাঝে দেন করবো। 


nobir sonnot


কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.