মৃত্যুর আগেই দেখে গেলাম কুরআনের বাণীর বৈজ্ঞানিক সত্যতা ! কুরআনের আয়াতের সত্যতা পেল বিজ্ঞানীরা !
আমরা জানি মাল সামান যা কিছুই আছে ,কোন কিছুই সেদিন ( কেয়ামতের মাঠে ) হাশরের মাঠে কাজে আসবেনা।
এটা কি আসলেই ঘটবে। অনেকের মনে হয়তো এমন প্রশ্ন জাগতে পারে। কুরআনে বলেছে " সে দিন কোন কিছুই তোমাদের কাজে আসবেনা " এ আয়াতের বাস্তব প্রমান আমরা দেখছি কিন্তু তা উপলুব্ধি করতে পারছিনা। আজ আমি আপনাদের সাথে এই বিষয়টি নিয়েই আলাপ করছি। এই আয়াতের প্রমান পেতে হলে আমাদের যেতে হবে এখন থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। তাহলেই আমরা কুরআনের আয়াতের সুস্পষ্ট প্রমান পেয়ে যাবো। চলুন যাওয়া যাক আদিম কালে। মিশর দেশে। তখন মিশর ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী একটি দেশ। তারা তখন গড়ে ছিল আধুনিক সভ্যতা। সে সভ্যতা থেকে আমরা পেয়ে যাবো কুরআনের আয়াতের সত্যতা।
আমরা জানি মিশরীয় রাজা বাদশারা যখন মারা যেত ,তখন তাদের সাথে ভিবিন্ন জিনিস পত্র দিয়ে দিত। যেন সেগুলি তারা মারার পর যখন আবার জীবিত হবে তখন কাজে লাগাতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই যে তারা যখন আজ আমাদের মাঝে কফিন থাকলে উন্মোচিত হচ্ছে ,তখন তাদের সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার কোন কাজেই আসছে। না তারা এর কোন সুফল পাচ্ছে না তারা এর থেকে কোন উপকার পাচ্ছে। তাদেরকে মমি করে রাখা হতো , আজ একের পর এক কফিন উন্মোচিত হচ্ছে ,আর কোরানের আয়াত বাস্তবায়িত হতে দেখছি।
"সে দিন কোন কিছুই তোমাদের কাজে আসবেনা " এই আয়াতের।
এখনো কোন কেয়ামত হয়নি তারপর ও এ সব সম্পত্তি তাদের কোন উপকারে আসছেনা। আর হাশরের ময়দানে তো দূরের কথা। পৃথিবীতেই এ সব সম্পত্তি কোন কাজে আসেনি ,মরার পর কিভাবে এসব জিনিস কাজে আসবে।
সাধারণত যখন কোন শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা সম্পদের হিসাব চায় তখনি আমরা আমাদের সম্পদের হিসাব দিতে পারিনা। কি ভাবে আমরা আখেরাতে সম্পদের হিসাব দিব। একটু কি মাথায় চিন্তা আসেনা। ফাঁসির আসামি যদি কয়েক হাজার কোটি টাকাও দেয় তারপর ও আইন তাকে রেহাই দেয়না। তার সম্পদ কোন কাজেই আসেনা।
কেউ সম্পদ নিয়ে কবরে যেতে পারবেনা। আমরা শুধু সম্পদের পাহাড়াদার। এছাড়া আর কিছু নাই। আসুন আমরা বেশি বেশি করে দানখয়রাত করি। সমাজ থেকে অভাব অনটন দূর করি।
কোন মন্তব্য নেই