মুসলিম রাষ্ট্রের আয়ের উৎস কি কি ? - মিঃগবেষক

মুসলিম রাষ্ট্রের আয়ের উৎস কি কি ?

প্রত্যেক টি রাষ্ট্র  চলতে হলে অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন আছে। ঠিক তেমনি করে মুসলিম রাষ্ট্রের  ও অর্থের প্রয়োজন আছে।  প্রত্যেকটি দেশের ই আয়ের বিভিন্ন রকম উৎস আছে।  ঠিক তেমনি মুসলিম রাষ্ট্রের ও আয়ের উৎস আছে। নিম্নে মুসলিম রাষ্ট্রের আয়ের উৎস সম্পর্কে আলোচনা করবে। 


muslim

যাকাত- যাকাত আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ হল প্রবৃদ্ধি ,পবিত্রতা বা বিশুদ্ধতা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় কোন মুক্ত ও সুস্থ ব্যাক্তি তার বাৎসরিক নিজ  ও পরিবারে সকলের ব্যয় নির্বাহের পর যদি নিসাব( ৭.৫ ভরি স্বর্ণ বা ৫২.৫ তোলা রোপা কিংবা সে পরিমান সম্পদ ) পরিমান মালের অধিকারী হয় এবং পূর্ণ এক বছর তার নিকট সঞ্চিত থাকে তবে তার (২.৫) ইসলাম নির্দেশিত খাতে ব্যয় করাকে যাকাত বলে।

আল গনিমাহ -যুদ্ধে পরাজিত শত্রুদের নিকট থেকে সংগৃহীত সমুদয় অস্থাবর সম্পদই গনিমাহ । 

আল উশর - আল উশর হল ভূমি কর যা মুসলিম প্রজারা প্রধান করে। 

খারাজ- খারাজ অর্থ ভূমি কর। যা মুসলিম শাসিত অঞ্চলে অমুসলিমদের কাছ থেকে যে কর  সংগ্ৰহ করা হয়। 

জিজিয়া - মুসলিম শাসিত দেশে অমুসলিমদের যান মালের নিরাপত্তা দেয়ার শর্তে যে কর নেয়া হয় তাই জিজিয়া। জিজিয়া মূলত সামরিক কর। যদি কোন অমুসলিম সামরিক বাহিনীতে যোগদান করে তবে তাকে জিজিয়া দিতে হবে না। নারী ,বৃদ্ধ শিশু উম্মাদ ইত্যাদি ব্যাক্তিদের জিজিয়া দিতে হবে না। নবী মুহাম্মদ ( সা:) আমলে জন প্রতি বাৎসরিক ১ দিনার ছিল। ওমরের (রা ) শাসনামলে ৪ দিনার করা হয়। তবে ব্যাক্তি বিশেষে নেয়া হয়। 

আল ফে - আলফে বলতে সে সম্পদকে বুঝানো হয় যা সাধারণত বিনা যুদ্ধে পাওয়া যেত। খাস জমি হতে যে কর আদায় হত  তাই আল ফে। 

আল উশুর - আল উশুর হল বাণিজ্য কর ,যা প্রত্যক ব্যবসায়ীকে দিতে হত। ২০০ দিরহামের বেশি হলেই এই কর দিতে হত। 

আল হিমা - আল হিম হল পশু চারণ ক্ষেত্র থেকে যে কর আদায় করা হত তাই আল হিমা। 

কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.