ভাবির দেয়া সবুজ সংকেত কেমন! - মিঃগবেষক

ভাবির দেয়া সবুজ সংকেত কেমন!

 ভাবির দেয়া সবুজ সংকেত কেমন!

অনেকেই ভাবির প্রতি আকৃষ্ট হোন ভাবির দৈহিক আকার আকৃতি সৌন্দর্য চালচলন ও গুণাবলি দেখে। সকল ভাবির প্রতি কিন্তু দেবরদের আকর্ষণ হয়না। ঐ সকল ভাবির প্রতিই আকর্ষণ হয় যারা খুব আবেদনময়ী। মোট কথা যে ভাবিকে দেখলে বোকের ভিতরে কাঁপুনি সৃষ্টি হয়।

আপনি তো ভাবির রূপে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছেন কিন্তু ভাবির কাছ থেকে কোন ইশারা পাচ্ছেন না। এমতাবস্তায় আপনি কি করতে পারেন? 

আপনি যে ভাবির প্রতি আকৃষ্ট তা কি ভাবি জানে? যদি না জানে তাহলে আপনার চালচলন কাজকর্ম দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করুন। কিভাবে বুঝাবেন সেটা আপনার বিষয়। 

যদি ভাই বিদেশে থাকে তাহলে ভাবির খোঁজ খবর রাখুন নিয়মিত। আর যদি ভাই দেশে থাকে তাহলে আপনার জন্য বিষয়টা কঠিন হবে। কারণ ভাবি তখন কিছুটা চাপের মধ্যে থাকবে। আপনার আচরণ নিয়ে ভাবার সময় পাবেনা। 

যদি আপনার ভাবির বয়স ৩০ পার হয়ে যায় তাহলে আপনার জন্য বিষয়টা আরো বেশি কঠিন হবে। কারণ ঐ বয়সী ভাবিদের চাহিদা অনেকটাই কম থাকে। অনেকটা ভেজা ম্যাচ এর মত। অনেক ঘষাঘষি করার পর বারুদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মাগার আগুন জ্বলবে না। তার আর কোন প্রকার শারীরিক চাহিদা থাকেনা। মানে অনেক কম হয়। ৪-৫ মাসে একবার উত্তেজনা তৈরি হয়। তাও আবার পারিবারিক চাপে ভুলে যায়। 

বয়স যদি ২৫-৩০ ভিতরে হয় তাহলে কিছুটা আশা আপনি রাখতেই পারেন। তারপরও বাংলাদেশের মানুষ। এদেশের মেয়েদের চাহিদা কয়েক বছর সংসার করার পর কমে যায়। স্বামীর ডাকে সারা দিতে চায় না। মোবাইল দেখতে দেখতে শরীরের চাহিদা নষ্ট করে ফেলে। কারণ বিয়ে হয় দেরিতে। যখন চাহিদা তুঙ্গে তখন তারা থাকে অবিবাহিত। মোবাইলে বিভিন্ন বিষয় দেখে। যা দেখে বিভিন্ন উপায়ে চাহিদা পূরণ করে ভবিষ্যৎ নষ্ট করে ফেলে। আর যাদের ১৯-২২ বছর বয়সে বিয়ে হয় তারা হলো প্রকৃত নারী। তারা হলো বারুদ ঘষা দিলেই দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠবে। 

আপনার ভাবির বয়স কত সেটা বিবেচনা করে আগুন ধরানোর চেষ্টা কইরেন। নইলে ভেজা ম্যাচ এর মত ঘষতে ঘষতে কাঠি নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনার ভাবি যদি দেখতে ছিমছাম হয়ে থাকে। মানে তার গায়ের গঠন,বডি সেইপ যদি সুন্দর হয় তাহলে চালিয়ে যেতে পারেন। অক্সফোর্ড বিশ্ব বিদ্যালয়ের একজন গবেষক গবেষণা করে দেখেছেন যে "যদি কোন নারীর বয়স ২৫-৩০ মধ্যে হয় তাহলে ঐ নারীর শারীরিক চাহিদা অনেক বেশি। তিনি আরো বলেছেন যদি নারীর স্তনের আকার বেশি বড় না হয় এবং বেশি ঝুলে না যায় তাহলে ঐ নারীর শারীরিক চাহিদা বেশি হয় এবং মুখে যদি হাসি লেগে থাকে তাহলে বুঝতে হবে তার এখনো পূর্ণ মাত্রায় শারীরিক চাহিদা আছে"।

চেষ্টার পর কিভাবে বুঝবেন আপনি সফল হয়েছেন বা আপনার ভাবি আপনাকে সবুজ সংকেত দিয়েছে। এই বিষয়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভাবির সবুজ সংকেত বুঝার মত জ্ঞান আপনার থাকতে হবে। তা নাহলে কোন লাভ নাই। আপনার ভাবি এসে আপনাকে আগুন নেভাতে বলবে না। 

কিভাবে বুঝবেন আপনার ভাবি আপনাকে সবুজ সংকেত দিয়েছে? 
১) যখন একা থাকবেন তখন সে আপনাকে একটু ডিসটার্ব করবে।
২) আপনার সাথে একটু হাসি হাসি খেলা খেলবে। তবে অনেক সময় এটা সঠিক না ও হতে পারে।
৩) আপনার সাথে আগের তুলনায় বেশি স্বাভাবিক থাকবে।
৪) আপনাকে রাগিয়ে তুলবে।

শেষ কথার এক কথা যদি আপনার ভাবির শারীরিক চাহিদা কম থাকে তাহলে আপনি যতই চেষ্টা করেন কোন লাভ হবে না। কারণ যার চাহিদা নাই তাকে আপনি কিছুতেই রাজি করাতে পারবেন না। চাহিদা থাকলে সে প্রকাশ করবেই। 

এখনকার মেয়েদের চাহিদা খুব কম। তিন মাস চার মাস পরে একবার উত্তেজিত হয়।তাও আবার সাময়িক সময়ের জন্য। 

 গবেষণা যাই বলুক একেক জনের এক একটা ধরন থাকে। 

যদি আপনার ভাবিকে আপনার ভালো লেগেই যায় তাহলে তাকে সোজা না পারেন ইশারা দিয়ে বলবেন তাকে আপনার চাই। 

ইংরেজি থেকে বাংলা ( প্রভাষক ইংরেজি বিভাগ গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়)   The day new York 

কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.