উর্ধ্বপাতন / নিম্নপাতন ? - মিঃগবেষক

উর্ধ্বপাতন / নিম্নপাতন ?

উর্ধ্বপাতন হলো কোন পদার্থকে তাপ  দিয়ে সরাসরি বাস্পে পরিণত করা। অর্থাৎ কোন পদার্থকে তাপ দিলে তা যদি  সরাসরি বাস্পে পরিণত হয় তাকেই উর্ধ্বপাতন বলে। আমরা সাধারণত দেখি কোন পদার্থকে তাপ দিলে সে প্রথমে তরল হয় পরে বাস্পে পরিণত হয়। পদার্থের একটা সাধারণ বৈশিষ্ঠ হলো তাকে তাপ দিলে তার ভিতরের অণু পরমাণু গুলি ছুটতে থাকে। তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি কমতে থাকে। এভাবে তাপ  দিতে থাকলে তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। কমতে কমতে তরল  পরিণত  হয়। তারপর বাষ্পে পরিণত হয়। কিন্তু তাপ দিলে যদি কোন পদার্থ সরাসরি গ্যাসীয়  ( বায়ুবীয় ) অবস্থায় পরিণতহয়  তখন আমরা তাকে উর্ধ্বপাতন বলতে পারি।কোন কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সে যদি সরাসরি বাস্পে পরিণত  হয় তখন আমরা তাকে উর্ধ্বপাতন বলি ।  যেমন লবণ  কে তাপ দিলে সে তরল না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। আর এটাই উর্ধ্বপাতন। কর্পুর, আয়োডিন, ন্যাপথালিন প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ।



Credit National Geographic Society and google 

নিম্নপাতন হলো কোন পদার্থকে তাপ দিলে প্রথেম তরল তারপর বাষ্পে পরিণত হওয়াকে বুঝায়। অর্থাৎ কোন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত না হয়ে যদি তরলে পরিণত হয় এটাই নিম্নপাতন। নিম্নপাতন হলো পদার্থের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোন কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সে যদি সরাসরি তরলে  পরিণত  হয় তখন আমরা তাকে নিম্নপাতন বলি । 



কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.