কারা আগামীর পরাশক্তি - মিঃগবেষক

কারা আগামীর পরাশক্তি

আমি যাদের মধ্যে  আগামী ১০ বছরে পরাশক্তি হয়ে ওঠা দেখছি বা যারা পরাশক্তি হয়ে উঠবে ,তারা হলো, চীন ,ভারত ,তুর্কি ,ইরান,ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো এবং ব্রাজিল।

আমি এখানে যাদের নাম নিয়েছি আগামীর পরাশক্তি হিসেবে। এর পিছনে আমার যে যুক্তি তা হলো ,

অর্থনৈতিক জাগরণ ,আমি যে সব দেশ গুলিকে আগামীর পরাশক্তি হিসেবে ভাবছি /দেখছি এর অন্যতম কারন হলো প্রত্যকটা দেশের ভিতরেই কিছু কমন মিলো আছে যেমন অর্থনৈতিক জাগরণ। অর্থনৈতিক জাগরণ  টা সব দেশের মধ্যে পাবেন। তারা নিজেদেরকে অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধি করছে। তারা প্রতিদিন নিজেদের অর্থনীতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এই দেশ গুলিই সমগ্র পৃথিবীর অর্থনৈতিক চাকা ঘুরাচ্ছে। তারা তাদের অর্থনীতিকে একটা শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এবং তারা তাদের পরিশ্রমের সুফল পাচ্ছে। তাই আমায় তাদের এই অর্থনৈতিক জাগরণকে মনে করছি আগামীর পরাশক্তি। আন্তর্জাতিক রাজ্ নীতিতে নিজেদের অবস্থান করে নেয়ার জন্য অব্শ্যই টাকার প্রয়োজন আছে। আর তারা তা করছে। তাই আমি বলতে চাই যদি কেউ পরাশক্তি হয় তবে এদের মধ্যেই কেউ একজন হবে।  

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হবে আগামীর পরাশক্তি হয়ে ওঠার অন্যতম হাতিয়ার। যাদের প্রযুক্তি যত বেশি  উন্নত হবে তারা ততো আগে পরাশক্তি হবে। আর আমি এই দেশ গুলির মধ্যে এই বিষয়টা দেখতে পেয়েছি। চীনের কথা যদি বলি তাহলে দেখবেন তারা প্রযুক্তিতে কতটা উন্নত করেছে তা অকল্পনীয়। ভারত ও মোটামুটি ভালো উন্নতি করেছে এবং করছে। বাকিরা এগিয়ে যাচ্ছে। তাই আমি বলতে চাই এদের মধ্য থেকেই একের পর এক পরাশক্তি হবে। যারা ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অবদান রাখবে। যারা বিশ্বের জন্য ভালো কিছু উপহার দিবে আশা করি। 

আমি যাদেরকে এখানে তুলে ধরেছি আগামীর পরাশক্তি হিসেবে তার কারন হলো তাদের আছে বিপুল জনসংখ্যা। যা দিয়ে তারা তাদের সব প্রয়োজন মিটিয়ে শ্রমশক্তি  রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়  করতে পারবে। তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে পারবে সব সময়। মানব শক্তি হলো প্রকৃতির সবচেয়ে বড় শক্তি। যাদের জনবল যত বেশি তাদের অর্থনীতি হবে ততো বেশি সমৃদ্ধশালী। তাই আমি এসব দেশ গুলির মধ্যেই দেখছি পি[রাশক্তি হয়ে ওঠা। যারা আগামীর আন্তর্জাতিক রাজনীতির নীতি নির্ধারক হবে। বয়ে আনবে মানব কল্ল্যাণ। 

আগামীতে তারাই হবে পরাশক্তি যারা সামরিক শক্তিতে হবে ধরা ছোয়ার বাহিরে। আমি এই দেশ গুলির মধ্যেই দেখছি সামরিক শক্তি অর্জনের ইচ্ছা। এবং তারা করে দেখাচ্ছে। যে তারা ও চায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অংশগ্রহন। এবং তারা কিছু দিনের মধ্যে তা অর্জন করতে সক্ষম হবে। তারা নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করছে। নতুন নতুন অস্র কিনছে। অস্রাগার নির্মাণ করছে। বিপুল পরিমান অর্থ  বিনিয়োগ করছে এই খাতে। তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাবে। এবং তারা পৌঁছাতে সক্ষম। এবং তারা তা করে প্রমান করে দিবে। 

আপনি যদি নিজেকে শক্তপোক্ত হিসেবে তৈরী করতে চান তবে আপনার চাই একটা শক্তপোক্ত প্রতিবেশী। আর এই দেশ গুলির এরূপ শক্তপোক্ত প্রতিবেশী বিদ্যামান। শক্তপোক্ত প্রতিবেশী থাকলে সব সময় নিজেকে আরো এগিয়ে নেয়ার একটা প্রবণতা থাকে। আর সেই প্রবনতা থেকেই সে নিজেকে আরো সামর্থবান করতে চায়। আমি যে দেশ গুলিকে বেঁচে নিয়েছি প্রত্যেকটা দেশেরই এরূপ পরিস্থিতি বিদ্যামান। তাই তারাই হবে পরবর্তী পরাশক্তি। যারা গোটা বিশ্বকে নিজেদের কব্জায় রাখতে বদ্ধপরিকর। 

আপনি যদি বড় হতে না চান তাহলে আপনি কোন দিনও বড় হতে পারবেন না। কিন্তু যারা চায় বড় হতে তারাই কিন্তু বড় হয়। আর এই দেশ গুলি চাইছে তারা যেন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে নিজেদের তুলে ধরতে পারে সে চেষ্টাই করে যাচ্ছে। তারা চাইছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অংশ গ্রহণ বাড়াতে। দিনকে দিন তারা সক্ষমতা অর্জন করছে। তাদেরকে তাদের প্রাপ্য স্থান দিতে হবে। 

 নিজেদের সর্বভৌমত্ত রক্ষাকরা 

এবং অস্র বাণিজ্য  

ইত্যাদি বিষয় গুলিকে আমি আমার গবেষণায় প্রাধান্য দিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.