ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি - মিঃগবেষক

ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি

তুর্কি সাম্রাজ্যের দূর্বলতার সুযোগে বলকান অঞ্চলের বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনতার আন্দোলন হতো বা সাম্রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। এই বিশৃঙ্খলার কারনে তুরস্ককে রাশিয়ার জার ( রাজা ) তুরস্ককে ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি বলে আখ্যায়িত করে। অর্থাৎ তুরস্কের অভ্যন্তরীন বিশৃঙ্খলার কারণেই তুরস্ককে ইউরোপের রুগ্নব্যক্তি বলা হয়। 

ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলতে মূলত বর্তমানে তুরস্ককে বোঝানো হয়। একটা সময় অটোমান সাম্রজ্য ছিল খুবই শক্তিশালী। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অটোমান সাম্রাজ্য ঝিমিয়ে পড়তে থাকে । এজন্য ইউরোপীয়ানরা ব্যাঙ্গ করে তাদের ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলে।

ঊনবিংশ শতকে এবং বিংশ শতকের শুরুর দিকে তুরস্ককে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলা হত। তখন শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে না পারা বিশাল অটোমান এম্পায়ার অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র থেকে পিছিয়ে পড়ে । তাদের ভাগ্যে পরাজয়ের পর পরাজয় জুটতে থাকে । তখন অন্যান্য ইউরোপীয়রা অটোমান এম্পায়ারকে উপহাস করে ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি বলত। তবে বর্তমানে ব্রিটেনকেও ইউরোপের নয়া রুগ্ন মানুষ বা sick man of Europe বলা হচ্ছে।


কোন মন্তব্য নেই

duncan1890 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.