আমি চীনের মধ্যে আগামীর পরাশক্তি হয়ে ওঠা দেখছি
চীন ইতিমধ্যে পরাশক্তি হিসেবে নিজের সক্ষমতা বা পরিচয় দেখিয়ে দিয়েছে। চীন যে ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তার সাথে তাল মিলিয়ে কেউ চলতে পারছেনা। দিনকে দিন চীন নতুন নতুন সব অর্জন করছে। তারা যেভাবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে, তাদের আশেপাশে কেউ আছে বলে আমার মনে হয়না। তারা তাদের সেই অর্থ বসিয়ে না রেখে তা আবার বিভিন্ন দেশে স্বল্প হারে ঋণ দিচ্ছে এবং বিনিয়োগ করছে।
সামরিক শক্তিতে
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে
কূটনৈতিক পারর্দশীতা
গবেষণা
দক্ষ জনশক্তি
প্রযুক্তিগত উন্নয়ন
বৈদেশিক বাণিজ্য
দেশপ্রেম
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অংশ গ্রহণের চেষ্টা
উচ্চশিক্ষার হার বৃদ্ধি
আরো যা যা করতে হবে
বন্ধুরাষ্ট্র বানাতে হবে
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অংশ গ্রহণের চেষ্টা
পরনির্ভরশীলতা কমাতে হবে
দান /দাতা হতে হবে
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারিত করতে হবে
দায়িত্বশীল হতে হবে
অভ্যন্তরীন স্থিতিশীলতা বজায় তারাখতে হবে
কৃষির উন্নতি করতে হবে /কৃষি নির্ভর অর্থনীতি বানাতে হবে
সীমান্তবর্তী রাষ্ট্রগুলির সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে
চীন বিভিন্ন দেশের সাথে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতি নিয়ত বিকশিত করে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভারত ছাড়া সমগ্র এশিয়াতে তাদের কোন শত্রু আছে বলে আমার মনে হয়না। সেই সাথে তারা কারো সাথে যুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ছেনা। যদিও আমরা দেখি ভারতের সাথে চীনের মাঝে মধ্যে ঝটিকা যুদ্ধ দেখা যায়। এর কারন হলো চীন নিজেদের সক্ষমতার পরীক্ষা করছে। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন ,তারা কিন্তু ভারী অস্র ব্যবহার করছেন না এটা তাদের একটা কূটনৈতিক কৌশল বলা চলে।
পরাশক্তি হতে হলে তার একটা শক্তপোক্ত শত্রু থাকতে হবে। তা নাহলে তারা কখনো পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভুত হতে পারবেনা। আমরা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো ,প্রত্যেকটা পরাশক্তির ই একটা শক্তপোক্ত বলবান শত্রু ছিল বা আছে। চীনের ক্ষেত্রেও ঠিক একটা শক্তপোক্ত বলবান প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। আমি তার নাম বললাম না এখানে।
চীন এশিয়া মহাদেশ অতিক্রম করে আফ্রিকাতে নিজেদের বিনিয়োক বৃদ্ধি করছে। সেখানেও তারা সফলতা লাভ করবে। এটাও তাদের একটা কূটনৈতিক কৌশল বলা চলে। তারা এমন ভাবে তাদের বাণিজ্য বিস্তার করছে , আগামী পৃথিবী তাদের হাতের মুঠোয় চলে আসবে।
অনেক দেশ তাদের সাথে মিত্রতা তৈরী করছে এবং তারাও। যেমন পাকিস্তান ,ইরান, মায়ানমার,উত্তর কোরিয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। আরো আছে অনেক দেশ। যাদের নাম এখানে বলছিনা। চায়না বিশেষ করে মুসলিম দেশ গুলির সাথে তাদের সম্পর্ক উন্নয়ন করে চলছে। এটা তাদের ভবিষৎ মহা পরিকল্পনা বলা চলে। তারা যদি সকল মুসলিম দেশ গুলির সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে পারে তাহলে নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি আগামী ১০ বছরের মধ্যে চীন অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। চীন বিশেষ করে ঐ সব দেশ গুলির সাথে সম্পর্ক তৈরী করছে যাদের সাথে আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়া আছে। যেমন আমেরিকার সাথে ইরানের সম্পর্ক খারাপ ঠিক সেই স্থানটা পূরণ করছে চীন। আবার ভারতের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক নাই বললেই চলে সেখানে চীন পাকিস্তানের জানেজিগার দোস্ত।
প্রযুক্তি খাতে চীন অঢেল বিনিয়োগ করছে। তাদের দেশে ফ্রিতে পড়াশোনার সুযোগ আছে। তাদের প্রযুক্তি এতো বেশি সস্তা যা কেউ চাইলেই সেবা নিতে পারে। তারা দরিদ্র দেশ গুলিতে তাদের প্রযুক্তি বিস্তার করছে। সেখানে তারা সস্তায় সেবা দিচ্ছে। এতে করে ঐ সব দেশগুলি চীনের প্রতি আগ্রহ হচ্ছে। চীন সেবা দিচ্ছে, বন্ধু পাচ্ছে ,টাকা কামাচ্ছে ,সব দিক দিয়ে তারা একটা ভালো অবস্থানে আছে।
কোন মন্তব্য নেই