নবী ও রসূল এবং তাঁদের মর্যাদা
নবী ও রসূল এবং তাঁদের মর্যাদা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন দয়া করা ,মহব্বত করে ,করুণা করে ,মায়া করে আমাদের হেদায়াতের জন্য তিনি পৃথিবীতে পবিত্র আত্না পাঠিয়েছেন ,তারাই হলেন নবী ও রসূল। তারা হলেন মানব জাতির শিক্ষক ,বিশাল জ্ঞানের অধিকারী ,পৃথিবীতে তাঁদের মত জ্ঞানী কেউ ছিলেন না এবং আর আসবেন না। নবী ও রসূলের শিক্ষক মহান আল্লাহ নিজেই। নবী ও রসূলগন ছিলেন জামানার সবচেয়ে জ্ঞানী ও প্রাজ্ঞ ব্যাক্তি। নিজ আমলে যত সমস্যা হতো তার সব গুলুর নিৰ্ভুল সমাধান তাঁরা দিতে পারতেন। তাঁরা ছিলেন নিরহংকারী। তাঁরা মানুষের কল্যাণ কামনা করতেন।মানুষকে ভাল পথে চলার আহবান করতেন। তাঁরা অন্যায় কে প্রশ্রয় দিতেন না , এসব কাজের জন্য তারা কোন পারিশ্রমিক চাইতেন না। তাঁদের দুনিয়াবী কোন লোভ লালসা ছিলনা। তাঁরা যেমন জ্ঞানী ছিলেন তেমনি ফরহেজগার ছিলেন। তারা সর্বদা আল্লাহর উপর ভরসা রাখতেন।
পৃথিবীতে প্রায় ১,২৪,০০০-২,২৪,০০০ হাজার নবী রসূল পাঠিয়ে ছিলেন। তবে অনেকে বলেন পৃথিবীতে নবী ও রসূলদের সংখ্যা ১৩০০ শত। এর বেশি হবে না।এর মধ্যে রসূলের সংখ্যা প্রায় ৩০০- ৩১৩ এর মত বা কিছু বেশি । বাকিরা সবাই নবী ।
যাদের উপর কিতাব নাজিল হয়েছিল ,তারাই হলেন রসূল। যাদের উপর কিতাব আসেনি বা পূর্বের নবীর শরীয়ত মেনে চলতেন তারাই নবী ।
প্রথম নবী ও রসূল হলেন হজরত আদম (আ:) এবং শেষ নবী ও রসূল হলেন হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
হজরত আদম ( আ ) এর উপর ১০ টি ছহিফা নাজিল হয়ে ছিল। তাঁর সন্তান হজরত শীষ নবী (আ ) এর উপর ৫০ টি ছহিফা নাজিল হয়ে ছিল। এভাবে হজরত ইদ্রিস ( আ ) এর উপর ৩০টি এবং হজরত ইব্রাহিম (আ )এর উপর ১০টি ছহিফা নাজিল হয়ে ছিল। বড় ৪ টি আসমানী কিতাব নাজিল হয় হজরত মূসা ( আ ) এর তাওরাত ,হজরত দাউদ (আ ) এর উপর জাবুর ,হজরত ঈসা ( আ ) উপর ইঞ্জিল এবং হজরত মোহাম্মদ (সাঃ ) উপর আল কুরআন নাজিল হয়।
তাদের মর্যাদা বা কাজের সম্মান পৃথিবীর কেউ শোধ করতে পারবেনা। এর পারিশ্রমিক আল্লাহ নিজের হাতে তাঁদের দিবেন।
তাই আমাদের উচিত নবী ও রসূলদের শানে মানে সম্মানে আঘাত আসে এমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকা । নবী রসূলদের দেখানো পথ ই একমাত্র মুক্তির পথ। আমরা তাদের দেখানো পথে চলবে , তাদের কাজগুলি কে অনুসরন করব ,যে সব কাজ করতে তাঁরা নিষেধ করেছেন সে সব কাজ থেকে দূরে থাকব।
নবী ও রসূল শব্দ দুটি হল আরবি শব্দ যার বাংলা অর্থ হল সংবাদ বাহক,সতর্ককারী ,বার্তা বাহক।

কোন মন্তব্য নেই