দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল কী ?
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল কী ?
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল হলো জাতি সংঘের শান্তি মিশলে অংশ নিয়ে যদি কোন সেনা উক্ত মিশনে নিহত হয় তখন তাকে এই "দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল" দেয়া হয়। পদকটির নামকরণ করা হয়েছে জাতিসংঘের দ্বিতীয় সেক্রেটারি-জেনারেল ড্যাগ হামারস্কেল্ডের,নাম অনুসারে নাম করন করা হয়। যিনি ১৯৬১ সালের সেপ্টেম্বরে জাম্বিয়াতে বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন।
১৯৯৮ সালে সর্ব প্রথম এই "দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল" দেয়া শুরু হয়। ২০২১ সালে বাংলাদেশের ৮ জন এই সম্মাননা পান। "দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল" বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই মেডেল গ্রহণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ছাদেকুজ্জামান। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এসব মেডেল কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
যারা পেয়েছেন কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী বাংলাদেশের আট শান্তিরক্ষী হলেন—মালিতে নিয়োজিত মিনুস্মা মিশনের ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল মো. হালিম; কঙ্গোতে নিয়োজিত মনুস্কো মিশনের ওয়ারেন্ট অফিসার মো. সাইফুল ইমাম ভূঁইয়া, সার্জেন্ট মো. জিয়াউর রহমান, সার্জেন্ট এমডি মোবারক হোসেন ও ল্যান্স কর্পোরাল মো. সাইফুল ইসলাম; সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নিয়োজিত মিনুস্কা মিশনের ল্যান্স কর্পোরাল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও সার্জেন্ট মো. ইব্রাহীম এবং দক্ষিণ সুদানে নিয়োজিত আনমিস্ মিশনের ওয়াসারম্যান নুরুল আমিন।
জাতিসংঘ ১৯৪৮ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে নিহত হওয়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের জন্য প্রতিমাসে কয়েক ডজন পদক প্রদান শুরু করে। ২০০১ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী অভিযানে যারা মারা গিয়েছিল তাদের জন্য বার্ষিক পদক অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানটি ২৯শে মে, যেটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই